প্রকাশ তারিখ: 09/05/2026 | Desk: 24ঘন্টালাইভ
শুভেন্দু অধিকারীর মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহণ উপলক্ষে ব্রিগেডে ভিড় জমায় হাজার হাজার মানুষ। সকাল থেকেই সেখানে ঝালমুড়ি বিক্রেতাদের ভিড় দেখা যায়। হাতে হাতে ঝালমুড়ি ঘুরে বেড়াচ্ছে, আর চাহিদা এতটাই বেড়ে গেছে যে বিক্রেতাদের সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

রাজনৈতিক সমাবেশে খাবারের উপস্থিতি শুধু ক্ষুধা মেটানোর জন্য নয়, বরং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতীক হিসেবেও কাজ করে। ঝালমুড়ি বাংলার এক জনপ্রিয় স্ট্রিট ফুড। ব্রিগেডে মানুষের ভিড়ের সঙ্গে সঙ্গে ঝালমুড়ির চাহিদা বেড়ে যাওয়া প্রমাণ করে যে রাজনৈতিক সমাবেশে খাবারও এক ধরনের ঐক্যের প্রতীক। বিশ্লেষকরা মনে করেন, এটি জনসমাবেশের প্রাণবন্ত পরিবেশকে আরও উজ্জ্বল করে তোলে।

সামাজিক গবেষকরা বলছেন, ঝালমুড়ির মতো খাবার রাজনৈতিক সমাবেশে মানুষের মধ্যে এক ধরনের সংযোগ তৈরি করে। এটি শুধু খাবার নয়, বরং সমাবেশের আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

সমাবেশে আসা সাধারণ মানুষ ঝালমুড়ি খেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, রাজনৈতিক সমাবেশে খাবারের উপস্থিতি তাঁদের অভিজ্ঞতাকে আরও আনন্দদায়ক করে তোলে।

ব্রিগেডে ঝালমুড়ির চাহিদা আকাশছোঁয়া হওয়া প্রমাণ করে যে রাজনৈতিক সমাবেশ শুধু বক্তৃতা বা স্লোগান নয়, বরং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতারও কেন্দ্রবিন্দু।









