BREAKING NWEWS :: নারদা দুর্নীতি মামলায় চার নেতার জামিন

0
24
Advertisement

আনন্দ মুখোপাধ্যায় :: ২৪ ঘন্টা লাইভ :: ২৮শে,মে :: কোলকাতা :: চাঞ্চল্যকর নারদা দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার চার নেতাকে অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্ট। আজ শুক্রবার আদালত এ আদেশ দেন।
শর্ত সাপেক্ষে এ জামিন দেওয়া হয়েছে। সেটি হলো, জামিনে মুক্ত হওয়ার পর এ মামলা বা এর আগের মামলা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে কথা বলতে পারবেন না এ চার নেতা। আর দুই লাখ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে তাঁদের জামিন দেওয়া হয়েছে।

নারদা দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার পশ্চিমবঙ্গের ওই চার নেতা হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা, প্রাক্তন  মন্ত্রী ও বিধায়ক সুব্রত মুখোপাধ্যায়; তৃণমূল নেতা, কলকাতা পৌর করপোরেশনের প্রাক্তন মেয়র ও বর্তমান মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম; প্রাক্তন মন্ত্রী ও নবনির্বাচিত তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র এবং কলকাতা পৌর করপোরেশনের প্রাক্তন মেয়র  শোভন চট্টোপাধ্যায়। ১৭ মে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। অর্থাৎ ১২ দিন পর এ চার নেতা মুক্তি পাচ্ছেন।

Advertisement

যদিও গ্রেপ্তারের পর ১৭ মে রাতেই জামিন পান ওই চার নেতা। কিন্তু পরে ওই রাতেই সিবিআই জামিন বাতিলের আবেদন করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্ট জামিন বাতিল করেন। এরপর কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল ও বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেঞ্চে ওই চার নেতার জামিন শুনানি হয়। কিন্তু ওই শুনানিতে তাঁরা দুজন ভিন্ন মত দেন। ফলে তাঁদের জামিন ঝুলে যায়।

পরে আরেক শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি আদালতকে বলেন, জামিন আবেদন নিষ্পত্তি করতে অবিলম্বে বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করা হোক। অন্যথায় তৃতীয় বিচারপতির কাছে পাঠানো হোক মামলাটি।

Advertisement

পরে আদালত পাঁচ সদস্যের নতুন বেঞ্চ গঠন করেন। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দালের নেতৃত্বে নতুন বেঞ্চে স্থান পান বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায়, বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন ও বিচারপতি সৌমেন সেন। এ বেঞ্চেই শুনানি হয়। কিন্তু এর বিরোধিতা করে সিবিআই। সিবিআইয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই মামলাটি যায় সুপ্রিম কোর্টে।

কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট সেই মামলার শুনানি শেষে ২৫ মে তা গ্রহণ না করে ফিরিয়ে দেন কলকাতা হাইকোর্টে। এরপর কলকাতা হাইকোর্ট আজ এ জামিন আদেশ দিলেন।

Advertisement

২০১৬ সালের মার্চে রাজ্য বিধানসভার নির্বাচনের প্রাক্কালে তৃণমূলের ১৩ নেতা-মন্ত্রীর ঘুষ নেওয়ার এক কেলেঙ্কারি ফাঁস হয়। এরপর কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১৭ সালে মার্চে এ নারদা কেলেঙ্কারি মামলার তদন্তের ভার দেওয়া হয় ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিবিআইয়ের হাতে। সে মামলায় আসামি করা হয় পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন চার মন্ত্রীসহ সাংসদ, বিধায়ক ও অন্য তৃণমূল নেতাদের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here