মুক্তোর মতো ঝকঝকে দাঁত পেতে কতটুকু মাজন প্রয়োজন? কী বলছেন চিকিৎসকরা?

👇समाचार सुनने के लिए यहां क्लिक करें

২৪ ঘন্টা লাইভ/ নিজস্ব সংবাদদাতা/ ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ ; দাঁত বা মাড়ি ভালো রাখতে দিনে দু’বার ব্রাশ করার কথা বলেন দন্ত চিকিৎসকরা। অনেকে আবার অতিরিক্ত সাবধান হয়ে প্রতিবার খাওয়ার পর দাঁত মেজে নেওয়ার চেষ্টা করেন।

কী ধরনের মাজন ব্যবহার করতে হবে সে বিষয়েও নানা মুনির নানা মত রয়েছে। কিন্তু মাজনের পরিমাণ নিয়ে অনেকেরই সঠিক কোনও ধারণা নেই।

বিজ্ঞাপনে যেমন দেখায় তেমন ভাবে ব্রিসলসের শুরু থেকে শেষপ্রান্ত পর্যন্ত মাজন নিলে কি দাঁতের জন্য ভালো? কী বলছেন চিকিৎসকরা?

চিকিৎসকরা বলছেন, বেশি মাজন নিলেই যে দাঁত-মাড়ি ভালো থাকবে, এমনটা কিন্তু নয়। উল্টে তা শরীরে বিপরীত প্রভাব ফেলতে পারে।

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, আমেরিকার সেন্টার ফর ডিজ়ি়জ় কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন-এ প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, বেশির ভাগ মাজনেই ফ্লুয়োরাইড নামক একটি রাসায়নিক থাকে।

এটি মুখগহ্বরের জন্য ভালো। দাঁতের ক্ষয় রোধ করতে সাহায্য করে। তবে তা ব্যবহারের নির্দিষ্ট পরিমাণ রয়েছে। ফ্লুওরাইড দেওয়া মাজন অতিরিক্ত ব্যবহার করলে শিশুদের ডেন্টাল ফ্লুরোসিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

তবে চিকিৎসকরা বলছেন, দাঁত মাজার সময়ে কে কতটুকু মাজন নেবেন, তা নির্ভর করবে ওই ব্যক্তির বয়সের উপর।

যেমন — ১ থেকে ৩ বছর বয়সি শিশুদের ক্ষেত্রে দু’টি চালের দানার মতো পরিমাণ মাজন ব্যবহার করলেই কাজ হবে। তাদের চেয়ে একটু বড় অর্থাৎ, ৭-৮ বছর বসয়িদের জন্য সেই পরিমাণ বেড়ে মটরদানার মতো হতে পারে।

 

কিন্তু তার বেশি নয়। শিশুরা যাতে কোনও ভাবেই ফ্লুওরাইড-যুক্ত মাজন বেশি পরিমাণে ব্যবহার করতে না পারে, সে দিকে বিশেষ ভাবে নজর দিতে হবে।

শুধু তাই নয়, দাঁত মাজার পর অবশিষ্টাংশ যাতে শিশুরা গিলে না ফেলে সে বিষয়েও অভিভাবকদের সতর্ক করেছেন দন্ত চিকিৎসকরা।

Sampriti Bose
Author: Sampriti Bose

বিভিন্ন ধরনের খবরের আপডেট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো করুন।

Leave a Comment

और पढ़ें