প্রকাশ তারিখ: 27/08/2026 | Desk: 24ঘন্টালাইভ
নেপালে বেড়াতে যাওয়ার জন্য সব প্রস্তুতি সেরে ফেলেছিলেন কোন্নগরের তপতী সিনহা। ব্যাগ গোছানো থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় কেনাকাটাও করেছিলেন। ২১ অগস্ট একটি পর্যটন সংস্থার সঙ্গে তাঁর নেপাল যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ভিসা না আসায় সফর বাতিল করতে হয় তাঁকে। এখন নেপালের ভয়াবহ হড়পা বানের খবর দেখে সেই সিদ্ধান্তকেই কার্যত আশীর্বাদ বলে মনে করছেন তপতী।

তপতী জানিয়েছেন, দলের অন্যদের ভিসা হয়ে গেলেও তাঁর ভিসা আসেনি। সফরের মাত্র পাঁচ দিন আগে বিষয়টি জানতে পারেন তিনি। প্রায় চার মাস ধরে নেপাল যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন বলে এই কারণে তখন তাঁর খুব কষ্ট হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ২১ অগস্ট নেপালের পরিবর্তে লাদাখে চলে যান তিনি।

এরপর বুধবার নেপালে ভূমিকম্প ও ভয়াবহ হড়পা বানের খবর সামনে আসে। ভোতে কোশী নদীতে আচমকা জলস্রোত নেমে একাধিক এলাকা বিধ্বস্ত হয়। নুয়াকোট ও ধান্দিং জেলার একাধিক গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং এখনও অনেকে নিখোঁজ। নেপালে থাকা বাঙালি পর্যটকদের নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

তপতী জানিয়েছেন, নেপালের বিপর্যয়ের খবর পাওয়ার পর থেকেই তিনি আতঙ্কিত। নিজের সফর বাতিল হওয়ায় একদিকে স্বস্তি পেলেও অন্যদিকে নেপালে যাওয়া পর্যটকদের নিয়ে তাঁর চিন্তা কাটছে না। তিনি চান, বিপর্যয়ের মধ্যে আটকে থাকা প্রত্যেক পর্যটক যেন নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরে আসেন।

সারকথা, যে ভিসা না পাওয়ায় কয়েক দিন আগেও মন খারাপ হয়েছিল তপতীর, নেপালের বিপর্যয়ের পর সেই ঘটনাই তাঁকে নতুনভাবে ভাবিয়েছে। সফর বাতিল হওয়ায় প্রাণে বেঁচে যাওয়ার স্বস্তির পাশাপাশি এখন তাঁর একটাই প্রার্থনা—নেপালে আটকে থাকা সকলেই যেন নিরাপদে ফিরে আসেন।










