একজন দেশপ্রেমিক ও সচেতন পরোপকারী বেনাপোল কাস্টম কমিশনার বেলাল হোসাইন চৌধুরী

0
193

এম আহসানুর রহমান ইমন :: ২৪ ঘন্টা লাইভ :: ১২ই,জুন :: বেনাপোল,বাংলাদেশ :: সারা বিশ্বের কাছে যখন কোভিড-১৯ ভাইরাস অপরিচিত, সে সময় একজন দেশ প্রেমিক এগিয়ে এলেন মানুষের মাঝে হাজির হলেন জানালেন সচেতনার বাণী নিয়ে। তিনি বলেছিলেন, “আমরা যদি না জাগি মা কেমনে সকাল হবে”।

২৯ শে জানুয়ারি ২০২০ বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার বেলাল হোসাইন চৌধুরীর সভাপতিত্বে, বেনাপোল কাস্টম হাউসে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সচেতনতামূলক সভা করেন। সে সময় করোনা ভাইরাসের কথা জনসাধারনের কাছে ছিল একটা হাস্যকর বিষয়। কিন্তু ধীরে ধীরে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করলো ৮ই মার্চ প্রথম করোনা রোগী সনাক্ত হলো বাংলাদেশে এর পর সবারই জানা সারা বিশ্ব থমকে গেছে এই ভয়ালো ছোয়াছে রোগের কাছে দেশে আক্রান্ত এখন ৪৩ হাজার।

জনাব বেলাল হোসাইন চৌধুরীর এই করোনা রেড হুইসেলের কারনে, এখনো পর্যন্ত বেনাপোল কাস্টম হাউজে কোন কর্মকর্তা কর্মচারি আক্রান্তে খবর পাওয়া যায়নি। তাছাড়া এর সুফল পেয়েছে যশোরের বেনাপোল শুল্কভবন ও স্থলবন্দর। সারা দেশে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লেও সুরক্ষিত আছে বেনাপোল ও যশোরের মানুষ। যার অগ্রণী ভূমিকায় এটি সম্ভব হয়েছে তিনি বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার বেলাল হোসাইন চৌধুরী।

কমিশনার বেলাল হোসাইন চৌধুরীর এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। গত ২ এপ্রিলে লন্ডনভিত্তিক অনুষ্ঠান টক সো এর সাক্ষাৎকারে, করোনা নিবারণে গত ২০ ফেব্রুয়ারি বেনাপোল শুল্কভবনের নেওয়া পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। বেনাপোল শুল্কভবন সূত্রে জানা যায়, গত ফেব্রুয়ারির শুরু থেকেই শুল্কভবন ও বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম ও এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করা হয়।

পরোপকারী এই কমিশনার তিনি বলেন, ‘কতদিন পৃথিবীতে আছি জানিনা। করোনা জীবনের সব হিসেব বদলে দিয়েছে। বেঁচে থাকা অনিশ্চিত হয়ে দাঁড়িয়েছে। যতক্ষণ বেঁচে আছি দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। দেশের জন্য কাজ করতে চাই। এদিকে চলমান পরিস্থিতির মধ্যেও বন্দরকে সীমিত আকারে সচল রাখার ব্যাপারেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্বুদ্ধ করেছেন তিনি। বিশেষ করে পেঁয়াজ, আদা, মশলা ও ফলমূলসহ দেশে জরুরী পণ্য কম মূল্যে সহজলদ্ধ রাখার জন্য দুদেশের বাণিজ্য ঠিক রাখতে কাজ করছেন। এছাড়া।

বাংলাদেশ রেল মন্ত্রণালয় একটি সিদ্ধান্ত নেন বেনাপোল বন্দরের মাধ্যমে রেলযোগে পণ্য আমদানিতে তাদের কোন বাধা নাই। তারা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে অনুমতি চেয়ে একটি পত্র প্রেরণ করেন। এবং তারই ধারাবাহিকতায় গত ১৯ মে সন্ধ্যা সাতটা ৩০ মিনিটে বেনাপোল রেলওয়ে ষ্টেশনে ২১ টি ওয়াগনে করে আসে ৭৭৫টনের বিশাল ধানবীজের চালান। যেটা বেনাপোল কাস্টম কতৃপক্ষের জন্য একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়ায় এবং মাত্র ২৯ মিনিটে শুল্কায়ন হয় শুল্ককর আদায় হয় ৭৫লাখ ৩৩ হাজার ৫০৮ টাকা এই পণ্যর মাধ্যমে বেনাপোল কাস্টম ইতিহাসে যোগ হয় নতুন অধ্যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here