প্রকাশ তারিখ: 17/04/2026 | Desk: 24ঘন্টালাইভ
লোকসভায় অনুষ্ঠিত বিশেষ অধিবেশনে ডিলিমিটেশন বিল ভোটাভুটিতে ব্যর্থ হয়েছে। বিলটি পাশ করাতে প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ ভোট পাওয়া যায়নি। মোট ভোট পড়ে ৩৮৮টি, এর মধ্যে বিপক্ষে ভোট পড়ে ২১৭টি এবং পক্ষে ভোট পড়ে 171টি। ফলে বিলটি প্রত্যাখ্যাত হয়।

ডিলিমিটেশন বিল আসলে আসন পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাব ছিল। এর মাধ্যমে কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, তামিলনাড়ু এবং কেরল-এই পাঁচ রাজ্যে আসন সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা ছিল। বিশ্লেষকরা বলছেন, দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলির প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর উদ্দেশ্য থাকলেও রাজনৈতিক সমীকরণে এটি বিতর্কিত হয়ে ওঠে। বিরোধীরা মনে করেন, এই বিল আসলে রাজনৈতিকভাবে সুবিধা আদায়ের চেষ্টা।

সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছাড়া এই ধরনের বিল পাশ হওয়া সম্ভব নয়। তাঁদের মতে, দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলির জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে আসন সংখ্যা বাড়ানো যুক্তিযুক্ত হলেও রাজনৈতিক ঐক্যমত্য জরুরি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিল ব্যর্থ হওয়া আসলে কেন্দ্রের জন্য বড় ধাক্কা।

সাধারণ মানুষ মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। কেউ বলেছেন, “দক্ষিণ ভারতের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো দরকার।” আবার কেউ মনে করছেন, “এটি রাজনৈতিক কৌশল।” সোশ্যাল মিডিয়ায় এ নিয়ে তীব্র বিতর্ক চলছে।

ডিলিমিটেশন বিল ব্যর্থ হওয়া প্রমাণ করছে যে রাজনৈতিক ঐক্যমত্য ছাড়া বড় সাংবিধানিক পরিবর্তন সম্ভব নয়। দক্ষিণ ভারতের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো জরুরি হলেও এর জন্য সর্বদলীয় সমর্থন প্রয়োজন।










