প্রকাশ তারিখ: 17/04/2026 | Desk: 24ঘন্টালাইভ
কলকাতা হাই কোর্ট সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি বাতিল করেছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে প্রেসাইডিং অফিসার হিসেবে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। আদালত জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত আইনসঙ্গত নয় এবং শিক্ষকদের প্রশাসনিক কাজে বাধ্য করা যাবে না।

নির্বাচনে প্রেসাইডিং অফিসারদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁরা ভোটগ্রহণের সময় শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখেন। তবে শিক্ষকদের এই দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক ছিল। শিক্ষকদের দাবি, তাঁদের মূল কাজ শিক্ষা প্রদান, প্রশাসনিক কাজে তাঁদের বাধ্য করা উচিত নয়। আদালতের এই রায় আসলে শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবিকে স্বীকৃতি দিল। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই রায় ভবিষ্যতে নির্বাচন কমিশনের কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আদালতের এই রায় সংবিধানসম্মত এবং শিক্ষকদের অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচন কমিশনের উচিত বিকল্প কর্মী নিয়োগের ব্যবস্থা করা। শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শিক্ষকদের প্রশাসনিক কাজে যুক্ত করলে শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

সাধারণ মানুষ মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। কেউ বলেছেন, “শিক্ষকদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়া উচিত।” আবার কেউ মনে করছেন, “নির্বাচনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে শিক্ষকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।” সোশ্যাল মিডিয়ায় এ নিয়ে তীব্র আলোচনা চলছে।

কলকাতা হাই কোর্টের রায় প্রমাণ করছে যে শিক্ষকদের মূল কাজ শিক্ষা প্রদান, প্রশাসনিক কাজে তাঁদের বাধ্য করা যাবে না। নির্বাচন কমিশনের উচিত বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা।









