ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে গিয়ে দুর্ঘটনা, পক্ষাঘাতে ১৩ বছর বিছানায়! কতটা যন্ত্রণায় ছেলের ‘নিষ্কৃতিমৃত্যু’ চান বাবা-মা?

👇समाचार सुनने के लिए यहां क्लिक करें

২৪ ঘন্টা লাইভ/ নিজস্ব সংবাদদাতা/ ১১ মার্চ, ২০২৬; এই গল্পে বুক ডুকরে কেঁদে উঠবে বেদনাও! দিল্লির মহাবীর এনক্লেভের বাসিন্দা তরতাজা মেধাবী একটা ছেলে।

স্কুলের গণ্ডি পেরনোর পরে ভর্তি হয়েছিলেন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে। মোহালির চণ্ডীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়ছিলেন তরুণ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে একটি মেসে থাকতেন। সেই মেসের চার তলার ছাদ থেকে পড়ে গিয়ে ভয়ংকর দুর্ঘটনা ঘটে।

আঘাত পান মাথায় তরুণ। হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। প্রাণে বাঁচলেও কোমায় চলে যান তিনি। বুধবার, ১৩ বছর ধরে শয্যাশায়ী বছর বত্রিশের হরিশ রানার নিষ্কৃতিমৃত্যুর অনুমতি দিল সুপ্রিম কোর্ট।

তরুণের নিষ্কৃতিমৃত্যুর আবেদন করেন তাঁর ৬২ বছরের বাবা অশোক রানা এবং মা নির্মলা দেবী।। সন্তানের মৃত্যুকামনার মতো ভয়ংকর বেদনায় স্তব্ধবাক তাঁরা। এছাড়া উপায় ছিল?

 

 

২০১৩ সালের ২০ আগস্ট ছিল রাখিবন্ধনের দিন। সেদিনের দুর্ঘটনায় প্রাণ বাঁচলেও অক্ষম হয়ে পড়েন হরিশ। শরীরের ১০০ শতাংশ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়। মাথা থেকে পা- অসাড়। সামান্য নড়াচড়ার ক্ষমতা নেই।

বিছানাই একমাত্র আশ্রয়। ছেলে ভালো করতে কম চেষ্টা করেননি মা-বাবা। এমস, রামমনোহর লোহিয়া, লোকনায়ক এবং দিল্লির ফর্টিস হাসপাতালে ছুটে বেড়িয়েছেন তাঁরা। কোনও চিকিৎসাই যন্ত্রণার অন্ধকার থেকে হরিশ বা তাঁর মা-বাবাকে মুক্তি দেয়নি।

বরং প্রতিদিন চোখের সামনে নিজের ছেলেকে প্রাণহীন পুতুলের মতো পড়ে থাকতে দেখছেন বৃদ্ধ দম্পতি আর চোখের জল ফেলেছেন। ডাক্তারি পরিভাষায় হরিশের অবস্থা হল ‘কোয়াড্রিপ্লেজিয়া’ বা ‘পার্সিস্টেন্ট ভেজিটেটিভ স্টেট’।

 

নারকীয় এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তির পথ খুঁজে পাচ্ছিলেন না বৃদ্ধ দম্পতি। চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতে করতে ক্রমশ নিঃস্ব হয়ে পড়ছিলেন অশোক রানা এবং নির্মলা দেবী।

Sampriti Bose
Author: Sampriti Bose

বিভিন্ন ধরনের খবরের আপডেট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো করুন।

Leave a Comment

और पढ़ें