২৪ ঘন্টা লাইভ/ নিজস্ব সংবাদদাতা/ ৮ জানুয়ারি, ২০২৬; স্ট্রোক এখন আর শুধু বয়স্কদের রোগ নয়। অনিয়মিত জীবনযাপন, মানসিক চাপ, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের মতো সমস্যার কারণে অল্প বয়সেও স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা বাড়ছে।

স্ট্রোক হলে মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ হঠাৎ বন্ধ বা ব্যাহত হয়, ফলে মস্তিষ্কের কোষ দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ইন্ডিয়ান স্ট্রোক অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, ভারতে প্রতি বছর প্রায় ১৮ লক্ষ মানুষ স্ট্রোকে আক্রান্ত হন, যার মধ্যে মৃত্যুর হারও উদ্বেগজনকভাবে বেশি।

নিউরোলজিস্টদের মতে, স্ট্রোকের লক্ষণ দ্রুত চিনতে পারাই সবচেয়ে জরুরি। BEFAST সূত্র মেনে চললে বিপদ অনেকটাই এড়ানো সম্ভব—হঠাৎ ভারসাম্য হারানো, চোখে দেখতে সমস্যা, মুখের একপাশ বেঁকে যাওয়া, হাত-পা দুর্বল হয়ে পড়া বা কথা জড়িয়ে যাওয়া দেখলেই দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছনো প্রয়োজন।

কারণ ইসকেমিক স্ট্রোকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ক্লট ভাঙার চিকিৎসা শুরু করা গেলে রোগীর প্রাণ বাঁচার পাশাপাশি স্থায়ী ক্ষতির ঝুঁকিও কমে।
Author: Sampriti Bose
বিভিন্ন ধরনের খবরের আপডেট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো করুন।










