আয়ুর্বেদ ও পূজোপার্বণে বিপুল চাহিদা — লক্ষ্মীর ভাঁড়ার খুলতে পারে কুমকুম গাছ! গোন্ডার কৃষকের পরীক্ষায় নতুন সম্ভাবনা

👇समाचार सुनने के लिए यहां क्लिक करें

২৪ ঘন্টা লাইভ/ নিজস্ব সংবাদদাতা/ ২৩ নভেম্বর, ২০২৫; কৃষিকাজে নতুনত্ব আনতেই এবার চমক দিলেন উত্তরপ্রদেশের গোন্ডা জেলার কৃষক সূর্যপ্রসাদ শুক্লা।

ধর্মীয় অনুষ্ঠান, আয়ুর্বেদ চিকিৎসা ও প্রাকৃতিক রঙ তৈরিতে ব্যবহৃত কুমকুম গাছ প্রথমবারের মতো তাঁর জমিতে চাষ করা হয়েছে।

এলাকায় আগে কখনও এই গাছের বাণিজ্যিক চাষ দেখা না গেলেও শুক্লার এই উদ্যোগ এখন কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে।

কুমকুম গাছ সম্পর্কে শুক্লা জানান, এর পাতা, ফুল ও শিকড়ের রয়েছে অনন্য গুণ।

কুমকুম ফুল থেকে যে প্রাকৃতিক রং তৈরি হয়, তা পূজা, তিলক, মন্দিরে ব্যবহার এবং বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানে অপরিহার্য।

পাশাপাশি, এর সুগন্ধ ও ঔষধি গুণের জন্য কুমকুম গাছ আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়—বিশেষ করে চর্মরোগ, ক্ষত নিরাময়, প্রদাহ ও মাথাব্যথা উপশমে।

ঝাড়খণ্ড থেকে অর্ডার করে গাছ এনে চাষ শুরু করেছিলেন শুক্লা। প্রথমদিকে বেশ কয়েকটি চারার মধ্যে মাত্র কয়েকটি টিকে থাকলেও এখন সেই গাছগুলি থেকে নতুন চারা তৈরি হচ্ছে এবং আশপাশের কৃষকদের বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে।

কৃষকদের প্রতি তাঁর পরামর্শ, জমির সীমানায় কুমকুম গাছ লাগালেও বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি হবে। একেকটি গাছ থেকেই আয় হতে পারে ৩,০০০ থেকে ৪,০০০ টাকা; কারণ কুমকুম বীজের বাজারদর প্রতি কেজি ২,০০০ টাকারও বেশি।

প্রাকৃতিক ও জৈব পণ্যের প্রতি মানুষের ঝোঁক বেড়ে যাওয়ায় কুমকুম গাছের ব্যবহার ও বাজার চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

মন্দির, আশ্রম, পূজার উপকরণ ব্যবসায়ী থেকে আয়ুর্বেদ কেন্দ্র—সব ক্ষেত্রেই চাহিদা তুঙ্গে। এর ফলে কৃষকদের কাছে কুমকুম চাষ নতুন আশা হয়ে উঠেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কম খরচে বেশি লাভ দিতে পারে এই গাছ, যা ভবিষ্যতে গ্রামীণ অর্থনীতির নতুন দিক খুলে দিতে পারে।

Sampriti Bose
Author: Sampriti Bose

বিভিন্ন ধরনের খবরের আপডেট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো করুন।

Leave a Comment

और पढ़ें