প্রকাশ তারিখ: 30/03/2026 | Desk: 24ঘন্টালাইভ
পূর্ব মেদিনীপুরে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, “যদি বিজেপি জেতে তবে তারা বাংলার মানুষকে মাছ খেতে দেবে না।” তাঁর এই মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তৈরি হয়েছে। বাংলার সংস্কৃতিতে মাছ একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য ও পরিচয়ের প্রতীক। তাই এই বক্তব্যকে অনেকেই প্রতীকী আক্রমণ হিসেবে দেখছেন।

বাংলার রাজনীতিতে খাদ্য সংস্কৃতি বহুবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়েছে। মমতার বক্তব্য আসলে বাংলার সাংস্কৃতিক পরিচয়কে সামনে রেখে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রচার। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি ভোটারদের আবেগকে স্পর্শ করার কৌশল। বাংলায় মাছ শুধু খাদ্য নয়, বরং সংস্কৃতির অংশ। তাই এই মন্তব্যে তিনি বোঝাতে চাইছেন যে বিজেপি বাংলার সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মমতার বক্তব্য প্রতীকী হলেও নির্বাচনী প্রচারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। সমাজবিদরা বলছেন, খাদ্য সংস্কৃতিকে রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত করা ভোটারদের আবেগকে প্রভাবিত করার একটি কার্যকর কৌশল।

সাধারণ মানুষ মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। কেউ বলেছেন, “মাছ ছাড়া বাঙালি অসম্পূর্ণ, তাই মমতার বক্তব্য যথার্থ।” আবার কেউ মনে করছেন, “এটি শুধুই রাজনৈতিক নাটক।” সোশ্যাল মিডিয়ায় এ নিয়ে তীব্র বিতর্ক চলছে।

মমতার বক্তব্য প্রমাণ করছে যে নির্বাচনী প্রচারে সাংস্কৃতিক পরিচয়কে ব্যবহার করা হচ্ছে ভোটারদের আবেগকে প্রভাবিত করতে। এটি রাজনৈতিক কৌশল হলেও ভোটারদের মধ্যে বড় আলোড়ন তুলেছে।










