বুথে গিয়ে স্লোগান শুনে EC-কে ফোন শুভেন্দুর, জোড়াফুল শিবিরের নরম পানীয়তে চুমুক শুভেন্দুর

👇समाचार सुनने के लिए यहां क्लिक करें

২৪ ঘন্টা লাইভ/ নিজস্ব সংবাদদাতা/ ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ; বুধবার সকালটা শুরু করেছিলেন চরণামৃত খেয়ে, শেষ করলেন কোল্ড ড্রিংকে চুমুক দিয়ে। তাও আবার ‘চরম শত্রু’ তৃণমূলের দেওয়া কোল্ড ড্রিংকে গলা ভেজালেন ভবানীপুর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী।

নন্দীগ্রাম হোক বা ভবানীপুর— খেলার মাঠ ছাড়তে নারাজ তিনি। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটে যেমন নন্দীগ্রামে নিজের গড়ে প্রার্থী শুভেন্দু দৌড়ে বেরিয়েছেন, তেমনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড়েও একেবারে দাঁতে দাঁত চেপে ক্রিজ়ে টিকে থাকলেন শেষ পর্যন্ত।

ডি-ডে’র শুরুটা শুভেন্দু করেছিলেন খিদিরপুরের মন্দিরে পুজো দিয়ে। সাতসকালেই তিনি ঘোষণা করে দেন, ভবানীপুরে জিতছেন। কিন্তু তার পরেও দিনভর তাঁকে কার্যত ছুটতে হলো এই বুথ থেকে সেই বুথ। একবার পথ চলতে চলতে দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ মিডিয়া কর্মীদের উদ্দেশে বললেন, ‘আমাকে কাজ করতে দিন।

আমি অলরেডি ২৮টা বুথ ঘুরে ফেলেছি, ইচ্ছে আছে ৮০-৯০টা বুথে ঘুরব।’ মিত্র ইনস্টিটিউশন স্কুলেও ভোট কেমন হচ্ছে দেখতে ছুটে গিয়েছিলেন শুভেন্দু — যে বুথে ভোট দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

ভবানীপুরের ৭০ নম্বর ওয়ার্ডে বেশ খানিক ক্ষণ তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বসে আছেন জেনে সেখানেও পৌঁছে যান শুভেন্দু। অভিযোগ করেন, ওয়ার্ডে বসে মমতা ভোটারদের প্রভাবিত করছেন।

শুভেন্দু ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর ঠিক আগে এলাকা কার্যত ছেয়ে গিয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীতে।

Sampriti Bose
Author: Sampriti Bose

বিভিন্ন ধরনের খবরের আপডেট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো করুন।

Leave a Comment

और पढ़ें