প্রকাশ তারিখ: 23/03/2026 | Desk: 24ঘন্টালাইভ :
ইরান–ইসরায়েল সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। যুদ্ধের কারণে প্রায় ২৬০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট প্রভাবিত হয়েছে এবং বহু বিমান সংস্থা বাধ্য হয়ে রুট পরিবর্তন করছে। এর ফলে খরচ বেড়ে গেছে এবং যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়ছে। কাতার এয়ারওয়েজ, এমিরেটস ও এতিহাদ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

হরমুজ প্রণালী ও পারস্য উপসাগর বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখান দিয়ে শুধু তেল ও গ্যাস নয়, আন্তর্জাতিক বিমান রুটও পরিচালিত হয়। যুদ্ধের কারণে এই অঞ্চলে আকাশপথে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বিমান সংস্থাগুলি বিকল্প রুট ব্যবহার করছে, যা দীর্ঘতর এবং ব্যয়বহুল। এর ফলে ফ্লাইট বিলম্ব, বাতিল এবং টিকিটের দাম বৃদ্ধি ঘটছে।

বিমান শিল্প বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে বিমান শিল্পে বড় ধাক্কা আসবে। তাঁরা মনে করছেন, ইউরোপ–এশিয়া রুটে যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বাড়বে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, খরচ বাড়ায় বিমান সংস্থাগুলির আর্থিক ক্ষতি হবে এবং যাত্রীদের জন্য ভ্রমণ আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠবে।

যাত্রীরা ক্ষুব্ধ। অনেকেই জানিয়েছেন, তাঁদের ফ্লাইট বাতিল হয়েছে বা বিলম্বিত হয়েছে। কেউ কেউ বলেছেন, টিকিটের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় তাঁদের ভ্রমণ পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে। ব্যবসায়ী মহলও উদ্বিগ্ন, কারণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও পর্যটন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

ইরান যুদ্ধ প্রমাণ করে, আন্তর্জাতিক সংঘাত শুধু রাজনীতি নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতি ও পরিবহন ব্যবস্থাকেও বিপদের মুখে ফেলে। বিমান সংস্থাগুলির ক্ষতি দীর্ঘমেয়াদে যাত্রীদের উপর চাপ বাড়াবে। যদি যুদ্ধ দ্রুত শেষ না হয়, তবে টিকিটের দাম আরও বাড়বে এবং আন্তর্জাতিক ভ্রমণ কঠিন হয়ে উঠবে।










