মানব সৃষ্টির ক্ষমতা এবার বিজ্ঞানীর হাতে! ভয় পাবেন? Science বানাবে Human!

👇समाचार सुनने के लिए यहां क्लिक करें

প্রকাশ: 4 আগস্ট 2025 | Desk: 24GhontaLive: বিশ্বজুড়ে অত্যাধুনিক যান্ত্রিকতা, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে যুক্ত করে একটি নতুন যুগ গড়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে বিজ্ঞান। তবে এখন প্রশ্ন উঠছে—Science মানুষকে সৃষ্টি করার ওই ক্ষমতা আদৌ আশীর্বাদ নাকি অভিশাপ? চিকিৎসা ও প্রযুক্তিতে অগ্রগতি যেমন রোগ নিরাময়, বিরল রোগের চিকিৎসা ও উন্নত যোগাযোগ নিশ্চিত করেছে, তেমনি বিজ্ঞান যুদ্ধাস্ত্র, জেনেটিক হস্তক্ষেপ এবং “designer fetus”-এর মতো বিতর্কিত পরীক্ষাও সামনে নিয়ে এসেছে

একদিকে আমরা পেয়েছি জীবন সংরক্ষণ প্রযুক্তি, তবে অন্য দিকে এসে দাঁড়িয়েছে ethical dilemma—মানুষ নিজেই তার ভবিষ্যৎ গঠন করতে পারবে, এমন দাবি কি মানবতার নৈতিক স্তম্ভগুলোকে নকশা করবে? বিজ্ঞান মানুষের শক্তি যেমন বাড়ায়, তেমনিাকার কলঙ্কও হতে পারে যদি তা বাজারের সুবিধা, সমাজের বৈষম্য এবং পরিবেশের ধ্বংসে ব্যবহৃত হয়

খ্রীষ্টান দর্শনের आलोচনাও একই পথে—“transhumanism” বা মানব-জীবনকে কৃত্রিমভাবে উন্নত করার প্রচেষ্টা অনেকেই “playing God” বলেও অভিহিত করেছেন। প্রযুক্তিবিদ্যা যেমন life-saving গবেষণায় বিপ্লব আনছে, তেমনি genetic engineering-এর মাধ্যমে ক্ষমতা প্রবর্তন এক নতুন class তৈরি করতে পারে—যা inequality এবং সামাজিক দ্বন্দ্বের দরজা খুলে দেয়

সারাংশ:
বিজ্ঞান উন্নয়নমূলক হিসাবে যে আশীর্বাদ নিয়ে এসেছে, তা কখনোই অসীম নয়। বর্তমানে মানুষ যখন নিজের biology-র programming লিখতে যাচ্ছে—তখন তার ethical মানদণ্ড ও সুবিধে-বঞ্চিততার প্রভাব নিয়ন্ত্রণ না করলে, এই “গাইডেড অগ্রগতি” আসতে পারে একটি জটিল দায়িত্বপূর্ণ অভিশাপে। বিজ্ঞান হল দান—তবু সিদ্ধান্ত আমাদের, কীভাবে আমরা তা ব্যবহার করি সেটা ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।

 

Pralay Banerjee
Author: Pralay Banerjee

Leave a Comment

और पढ़ें