ফ্যান-ভাত খাওয়ার রীতি পুরোনো, কিন্তু কতটা উপকারী? পুষ্টিবিদরা কী বলছেন

👇समाचार सुनने के लिए यहां क्लिक करें

২৪ ঘন্টা লাইভ/ নিজস্ব সংবাদদাতা/ ২৪ নভেম্বর, ২০২৫ ; ছোটবেলার পরিচিত খাবার ফ্যান-ভাত এখনও অনেকের প্রিয়। কাজের তাড়া থাকলে বা শরীর খারাপের সময় বহু মানুষই সেদ্ধ ভাতের ফ্যান খেয়ে নেন।

আধুনিক ডায়েট– স্প্রাউটস, বাদাম, বিদেশি ফলের ভিড়েও অনেকের বিশ্বাস— ফ্যান-ভাতই সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর। এ বিষয়ে পুষ্টিবিদদের মত কী?

বিশেষজ্ঞদের মতে, ফ্যান শরীরের জন্য চমৎকার কার্বোহাইড্রেটের উৎস। এতে রয়েছে বি১, বি৩, রাইবোফ্ল্যাভিনসহ বিভিন্ন ভিটামিন ও পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রনের মতো প্রয়োজনীয় খনিজ।

সারা দিনে কায়িক পরিশ্রমে পর্যাপ্ত শক্তি জোগায়। স্টার্চের পরিমাণ বেশি থাকার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়েরিয়ার মতো সমস্যা সারাতেও উপকারী।

সোডিয়াম কম থাকায় রক্তচাপ বাড়ার আশঙ্কা নেই। শীতকালে ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধেও দারুণ কার্যকর।

হজমের ক্ষেত্রেও ফ্যান বেশ সহজপাচ্য। শিশু, বয়স্ক থেকে শুরু করে দুর্বল হজমের রোগীদের জন্যও উপকারী।

তবে যাঁদের ঘি বা নুন সহ্য হয় না, তাঁদের ঘি-নুন ছাড়া ফ্যান খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদরা।

অনেকের ধারণা ফ্যান-ভাত মেদ বাড়ায়— বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে ক্যালোরি বেশি ঠিকই, তবে নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রমে সেই ক্যালোরি ব্যবহার হলে ওজন বাড়ার ভয় নেই।

Sampriti Bose
Author: Sampriti Bose

বিভিন্ন ধরনের খবরের আপডেট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো করুন।

Leave a Comment

और पढ़ें